‘অপরাজেয়’ মিসাইল পরীক্ষা রাশিয়ার


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : জুন ৪, ২০২২, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ /
‘অপরাজেয়’ মিসাইল পরীক্ষা রাশিয়ার

দ্রুত শেয়ার  করুন–

ইউক্রেন অভিযানের পর থেকে রাশিয়া একের পর এক নতুন ও সর্বাধুনিক অস্ত্র প্রদর্শন করছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ফের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করল রাশিয়া। নাম ‘জিরকন হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইল’। শনিবার এর সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ ঘটিয়েছে মস্কো। ব্যারেন্টস সাগরে উপস্থিত রুশ যুদ্ধজাহাজ অ্যাডমিরাল গোরশকোভ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। হাজার কিলোমিটার দূরে উত্তর মেরুর শ্বেত সাগরে (হোয়াইট সি) গিয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর উপরে আঘাত হানে এটি। এই ক্ষেপণাস্ত্রকে ‘অপরাজেয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে তরফে জানানো হয়েছে, তাদের নতুন অস্ত্রশস্ত্রের পরীক্ষা চলছে। এটিও সেই পরীক্ষার অংশ ছিল। জিরকনের পরীক্ষা প্রথম হয়েছিল ২০২০ সালের অক্টোবরে। সে সময়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন বলেছিলেন, ‘দারুণ ঘটনা।’ তবে এখনের এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের বার্তা আলাদাই। এক কথায় গোটা বিশ্বকে ‘হুঁশিয়ারি’।

শব্দের চেয়ে ৫ থেকে ১০ গুন বেশি গতিতে এটি হাজার কিলোমিটার দূরের নিশানায় নিঁখুতভাবে আঘাত হানতে পারে। গতির কারণে সহজ কোনও রাডার এটি শনাক্ত করতে পারে না। জিরকন ছাড়াও ‘কিনঝাল’ নামে রাশিয়ার হাতে একধরনের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। কিনঝাল অর্থ ছুরি। গত মার্চেই ইউক্রেনে প্রথমবারের মতো ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহার করে রাশিয়া।

এর আগেও অবশ্য পরীক্ষামূলকভাবে জিরকন ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রাশিয়া। প্রথম এ ধরনের পরীক্ষা চালানো হয় ২০২০ সালের অক্টোবরে। পুতিনের ভাষায়, সেটি ছিল রাশিয়ার জন্য একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা’। এরপর একাধিকবার যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি পরীক্ষামূলকভাবে ছোড়া হয়।
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বিশ্বের অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলোর অন্যতম। ২০১৮ সালে এ অস্ত্র প্রথম সামনে আনে পুতিন সরকার। ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর উচ্চ গতি ও ভূমির কাছ দিয়ে চলাচলের সক্ষমতার কারণে সেগুলো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে শনাক্ত ও ধ্বংস করা তুলনামূলক কঠিন। সূত্র : এপি।

%d bloggers like this: