খুলনা শিপইয়ার্ড মোংলা বন্দরের জন্য আধুনিক উদ্ধার জাহাজ বানাচ্ছে


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : জুন ২১, ২০২২, ৮:১০ অপরাহ্ণ /
খুলনা শিপইয়ার্ড মোংলা বন্দরের জন্য আধুনিক উদ্ধার জাহাজ বানাচ্ছে

মোংলা বন্দরের জন্য আধুনিক উদ্ধার জাহাজ বানাচ্ছে খুলনা শিপইয়ার্ডমোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জন্য খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মিতব্য একটি সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ভেসেলের কিল লেয়িং অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুন) দুপুরে শিপইয়ার্ড চত্বরে এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী সিদ্ধান্তে ১৯৯৯ সালে খুলনা শিপইয়ার্ডকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ প্রতিষ্ঠান বর্তমানে তার হৃত গৌরব ফিরিয়ে এনে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

একসময়ের মৃত প্রায় মোংলা বন্দর এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বন্দরে জাহাজের কোনো জট নেই। এই বন্দরে আটটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। মোংলা বন্দরে অত্যাধুনিক ৭৫টি কার্গো ও কন্টেইনার হ্যান্ডলিং উপকরণ যুক্ত হয়েছে। এছাড়া বন্দরের জন্য ৬টি ভেসেল সংগ্রহ করা হবে। যার মধ্যে আজ একটির নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হলো। মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে এই ভেসেল একটি বড় অর্জন।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলে মোংলা বন্দরের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যাবে। এই বন্দর আমদানি ও রপ্তানিকারকদের চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে। বন্দরে আমদনিকৃত গাড়ির পার্কিং ক্ষমতা ইতোমধ্যে ১৫ হাজারে উন্নীত হয়েছে। আশা করি খুলনা শিপইয়ার্ড নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ ভেসেল নির্মাণ শেষ করে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা নৌঅঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর এম সামছুল আজীজ এতে সভাপতিত্ব করেন। কিল লেয়িং অনুষ্ঠানে খুলনা শিপইয়ার্ডের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জন্য নির্মিতব্য এ ভেসেল একটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ জাহাজ, যাতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজিত হবে। জাহাজটি জার্মান ডিজাইন প্রতিষ্ঠান ঞবপযহড়ষড়ম ঝবৎারপবং এসনঐ এর ডিজাইনে নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান এবং মেরিটাইম সার্ভিলেন্স প্রভৃতি কার্যাদি দ্রততম সময়ে দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

যা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে। নির্মিতব্য ভেসেলটির দৈর্ঘ্য ২৭.৭৫ মিটার, প্রস্থ ৬.২০ মিটার, গভীরতা ৩.৪২ মিটার, ড্রাফট ১.৮৫ মিটার। প্রোপালশন টুইন স্ক্রু ফিক্সড পিচ প্রোপেলার সংযুক্ত ভেসেলটির সর্ব্বোচ গতি হবে ঘণ্টায় ২৫ নাটিক্যালমাইল।

%d bloggers like this: