চৌগাছার শাহজাদপুর বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক ‘রায়হানের’ আচরণ!


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ /
চৌগাছার শাহজাদপুর বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক ‘রায়হানের’ আচরণ!

সাবা রিপোর্টঃ  যশোরের চৌগাছা উপজেলাধীন শাহজাদপুর ক্যাম্পের নায়েক  রায়হান’এর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। বিবরণে প্রকাশ, শার্শা থেকে প্রকাশিত প্রিন্ট মিডিয়া সাপ্তাহিক সারসা বার্তার (অনলাইন দৈনিক) সম্পাদক কবি ও সাহিত্যিক মোঃ আব্দুস সালাম গফফার সোমবার বিকালে মফঃস্বল বার্তা সম্পাদক সোহেল রানাকে সংগে নিয়ে চৌগাছায় যান। কাজ থেকে ফিরে আসছিলেন সন্ধ্যায়। মস্যমপুর গ্রামের মাসিলার সংযোগ মোড়ে আসলে মাগরিবের আযান হয়।

সম্পাদক মস্যমপুর মসজিদে নামাজ আদায় করেন। মাগরিবের নামাজ শেষে রওনা দেন। মোটর সাইকেল ড্রাইভ করছিলেন সোহেল রানা। গাড়ীর গতি ২৫/৩০ মিটারের মত। আসার পথে সামনে পড়ে শাহজাদপুর বিজিপি ক্যাম্প। সহসা টর্চ লাইটের থামার সংকেত পেতেই থেমে যান। দাঁড়িয়ে পড়েন  ছালাম প্রদান করেন। হাতে টর্চধারী সংকেত দানকারী বিজিবি কর্মকর্তা নায়েক  রায়হান প্রশ্ন করেন, আপনাদের পরিচয়?

সারসা বার্তা’র সম্পাদক মহোদয় নিজেদের পরিচয় দেন। সংগে থাকা মফঃস্বল বার্তা সম্পাদক সোহেল রানারও পরিচয় প্রদান করেন। সম্পাদক এক কপি সারসা বার্তা দেন। এরপর বিজিবি নায়েক রায়হান সাহেব বলেন, নামেন’। সম্পাদক আব্দুস সাল্লাম গফফার পিছনের সীট থেকে নামেন। তারপর নামেন সোহেল রানা।

নায়েকের প্রশ্নের উত্তর দানের পরও রায়হান যেন কাকতালীয় ভাব দেখান এবং বার্তা সম্পাদক সোহেল রানা’কে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনার প্যান্টের পকেটে কি আছে’? সোহেল সাহেব উত্তরে জানায়,’ মোবাইল”। তাঁর  এ উত্তরে রায়হান সাহেব তাঁর দৃষ্টি ভংগি ভিন্ন দিকে ঘুরাতে বলেন, দেখুন আজকাল মিডিয়ার কত্থা বলে অনেকেইত ভিন্ন  কাজ করে’। তার এ কথার উত্তরে সারসা বার্তার সম্পাদক মহোদয় এবং বার্তা  সম্পাদক দুজনেই স্তম্ভিত হন। পরে নায়েক রায়হান্ বলে, আপনারা যান’।

সারসা বার্তা’র সম্পাদক দ্বয় রওনা দেন এবং বিষয়টা ৪৯ নং বিজিবি’র সি ও সাহেবকে অভিযোগ আকারে জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। সম্পাদক আব্দুস সালাম গফফার বাসায় এসে রাত ৯টা ৩৭ মিনিটে সি ও সাহেবের মোবাইল নাম্বারে কল দেন। রিং হয়ে কেটে যায় কিন্তু তিনি রিসিভ করেননি।

প্রসংগত কারণে স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে বা জন্ম দেয়, এই  যে ভারত থেকে প্রতিনিয়ত জলের স্রোতের মতো মাদক দ্রব্য ইয়াবা ফেনসিডিল আর অস্ত্র আসছে সে সবের খবর কি বিজিবি ভাইরা রাখেন না? রাখেন তো বটেই। বিজিবি কর্মকর্তারা বা সদস্যরা যদি সীমান্তে চাকুরী করে আর মানুষের সাথে মেলামেশা করে চোর শোর, ভালমন্দ না চি্নতে পারেন তাহলে কি করে দেশের সেবা  নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন?

প্রশ্নটা আমি দেশের জনগণের সার্থে আজ রেখে গেলাম। এর সদুত্তরও আমি দিয়ে গেলাম যদি ভালো মন্দ  নাই-ই বোঝেন তাহলে দেশের এই আনাড়ি সেবার নামে মানুষকে  হয়রানি করতে  আসার দরকার নেই। বিষয়টা দেখভালের সকল দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্ম কর্তার উপরই রেখে গেলাম। এ বিষয়ে আবারও রিপোর্ট নিয়ে আসব আগামীতে–।

%d bloggers like this: