সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ জুনে


Sarsa Barta প্রকাশের সময় : জানুয়ারি ২, ২০২৩, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ /
সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ জুনে

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ আগামী জুন মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করতে চায় কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাশাপাশি নতুন দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়াও জুনের মধ্যে শেষ করে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির। এই কার্যক্রমগুলোর পর চলতি বছরের শেষে বা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে আগামী জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। গতকাল রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের কাজটা আগামী জুনে সম্পন্ন করার আশা করে আনিছুর রহমান বলেন, মে মাসের মধ্যেই যাতে করতে পারি সে চেষ্টা থাকবে। জনশুমারির চূড়ান্ত রিপোর্টের জন্য পরিসংখ্যান ব্যুরোকে চিঠি লিখেছি। তারা যদি ওটা জুনের পরে করে তাহলে তো সেটা আমলে নেওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে বর্তমানে যে অবস্থা আছে সেগুলো বিবেচনায় নিয়ে সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হবে। খুব বেশি আসনের প্রস্তাব আমরা পাইনি। যেগুলো পেয়েছি সেগুলোর ওপর কাজ শুরু করেছি।

নতুন দল নিবন্ধন প্রক্রিয়াও জুনের মধ্যে করে ফেলার আশা প্রকাশ করে আনিছুর রহমান বলেন, কাজের সময়ের সঙ্গে হাঁটলে আর আমাদের হবে না, দৌড়াতে হবে। আমরা প্রতিদিনই অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করি। এছাড়া ভোটের প্রশিক্ষণ চলছে, চলবে। ডিসেম্বরের শেষে বা জানুয়ারি প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সংসদ নির্বাচন করব। আমরা আশা করি, যে আইন সংশোধনের বিষয়টিও আইন মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে কয়েক দিনের মধ্যে চলে আসবে। আইনমন্ত্রী বলেছেন যে, কাজটা প্রায় শেষের পথে, কয়েক দিনের মধ্যেই পাঠিয়ে দেব। এক্ষেত্রে আমরা ফেব্রুয়ারির মধ্যেই আইন সংশোধনের কাজ শেষ করতে পারব।

২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ : নির্বাচন কমিশনার আনিছুর বলেন, আগামী ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর ভোটকেন্দ্রের কাজে হাত দেব। সীমানা পুনর্নির্ধারণ হলে আগস্টের মধ্যে ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হবে। তবে চূড়ান্ত করতে হয়তো নভেম্বর পর্যন্ত লেগে যাবে।

ইভিএমের নতুন প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে আছে বলে জানান এই কমিশনার। তিনি বলেন, সরকার থেকে ১৩ জন জনবলের অনুমোদন দিয়েছে। এখন ১৩ জন জনবল দিয়ে কিন্তু চালানো যাবে না। অর্থ বিভাগকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য বলেছি। এখন যাই হোক ইভিএম প্রকল্প দ্রুত পাশ হওয়া উচিত। ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রকল্প পাশ না হয় এবং তারপরে যদি আমাদের পক্ষেই অনুমোদন হয়ও তাহলে খুবই ডিফিকাল্ট হবে। কেননা, এলসি হবে বিদেশ থেকে মালামাল আসবে। এসব নানা কর্মযজ্ঞ রয়েছে। আমরা ইভিএম নতুন প্রকল্প না হলে হাতে যা আছে তা দিয়ে যতটুকু করার সম্ভব, ততটুকু করব। বাকি আসনে ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ করব।

রোডম্যাপ অনুযায়ী বর্তমান কমিশন পিছিয়ে নেই বলে মনে করেন এই কমিশন। তিনি বলেন, রোডম্যাপে আমরা পিছিয়ে নেই। সবকিছু সময় অনুযায়ী হচ্ছে।

ইভিএমে ভোটগ্রহণে বিলম্বে হবে অনুসন্ধান : রংপুর সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণের বিলম্বের কারণ খুঁজতে বর্তমান কমিশনের আগামী সপ্তাহে বসবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা আগামী সপ্তাহে বসবো। সাংবাদিক যারা ঢাকা থেকে গিয়েছিলেন তাদের আমন্ত্রণ জানাবো। প্লাস যারা অবজারবার ছিলেন তাদের আমন্ত্রণ জানাবো। এছাড়া ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা থাকবেন। ৭টা সময়ও ৩০ জন লাইনে ছিলেন ভোটাররা একটা কেন্দ্রে। এটা আমরা অতীতে দেখি নাই। কেন হয়েছে এমন আগামী সপ্তাহে খতিয়ে দেখব।

%d bloggers like this: